Page Nav

HIDE

Grid

GRID_STYLE

Classic Header

{fbt_classic_header}

Popular Posts

শিরোনাম

latest

ইজারা ছাড়াই সিলিকা বালু উত্তোলনের অভিযোগ, মাধবপুরে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির আশঙ্কা

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শিমলা ছড়াসহ বিভিন্ন ছড়া ও নদী থেকে ইজারা ছাড়াই সিলিকা বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী একট...

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শিমলা ছড়াসহ বিভিন্ন ছড়া ও নদী থেকে ইজারা ছাড়াই সিলিকা বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ সিলিকা বালু উত্তোলন করছে। এতে একদিকে পরিবেশ ও নদী-ছড়ার স্বাভাবিক প্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার শিমলা ছড়া, শাহপুর ছড়া, সোনাই নদীসহ বিভিন্ন স্থানে সরকারি ইজারা ছাড়াই ড্রেজার ও ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে নিয়মিত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। প্রতিদিন অসংখ্য নৌকাযোগে এসব বালু বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে নদী ও ছড়ার স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হচ্ছে। এতে তীরভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি আশপাশের কৃষিজমি, বসতভিটা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের সভাপতি আলফাজ মহালদার, উপজেলা বিএনপির নেতা হাজী ফিরোজ, মাসুদ মোল্লা, কবির আলম, হেলাল মিয়াসহ কয়েকজনকে ঘিরে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ছড়া থেকে অবৈধভাবে সিলিকা বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা বিএনপির নেতা মাসুদ মোল্লা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমাদের সোনাই নদীর সিলিকা বালুর বৈধ ইজারা রয়েছে। আমরা বোয়ালি বা শিমলা ছড়া থেকে কোনো বালু উত্তোলন করি না।" তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, শিমলা ছড়া থেকে একাধিক নৌকায় সিলিকা বালু পরিবহন করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিটি নৌকা থেকে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঝে মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান, নোটিশ ও সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও কিছুদিন পর আবারও আগের মতো বালু উত্তোলন শুরু হয়। প্রকাশ্যে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না বলে তারা অভিযোগ করেন। এ অবস্থায় অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত অভিযান, কঠোর নজরদারি এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সচেতন মহলের মতে, পরিবেশ ও সরকারি রাজস্ব রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি