বাহুবল( হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবলে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার প্রতিনিধি নাম ভাঙ্গিয়ে মানুষকে ব্ল্যাকমেইল, চাঁদাবাজি ও মিথ্যা সংবাদ প...
বাহুবল( হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবলে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার প্রতিনিধি নাম ভাঙ্গিয়ে মানুষকে ব্ল্যাকমেইল, চাঁদাবাজি ও মিথ্যা সংবাদ প্রচারের অভিযোগ উঠেছে হাবিবুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী হাবিবুর রহমান নোমান লেবাস পাল্টে সাংবাদিক সেজে বিভিন্ন সরকারি অফিস ও ব্যক্তিকে হয়রানি করছেন।
অভিযোগকারী মহলের দাবি, বাহুবল উপজেলা আওয়ামী লীগের ধুসর নেতা ও এলাকার বহু অপকর্মের হোতা বলে পরিচিত হাজি সানু মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান নোমান। গত এক বছর ধরে তিনি নিজের পিতাকে বাঁচাতে ও বিভিন্ন অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকতার আড়াল নিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়, নোমান বিভিন্ন পেশার মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছেন। থানা, হাসপাতাল, ভূমি অফিস, উপজেলা অফিসসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে গিয়ে তিনি ধান্দাবাজি ও অশান্তি সৃষ্টি করছেন।
ইউএনও অফিসে চাঁদা দাবি ও হাতাহাতির অভিযোগ:
সর্বশেষ আজ বাহুবল ইউএনও অফিসে বাহুবল থানা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুর রকিবের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে হাবিবুর রহমান নোমানের বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারীদের দাবি, নোমান আব্দুর রকিবের কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা নিউজ করে দেওয়ার হুমকিও দেন। এই চাঁদা দাবির ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ইউএনও অফিসের ভেতরে হাবিবুর রহমান নোমান ও আব্দুর রকিবের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, তার পেছনে "আওয়ামী গুপ্তলীগ" সক্রিয় রয়েছে। যারা বিভিন্নভাবে তাকে সহযোগিতা করে সরকারি অফিসগুলোতে প্রভাব খাটাচ্ছে।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা এই বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন, "সাংবাদিকতার মতো মহান পেশাকে কেউ ব্যবহার করে যদি ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজি করে তাহলে প্রকৃত সাংবাদিকরা এবং সাধারণ মানুষ বিপদে পড়বে। আমরা চাই অবিলম্বে তার কার্যকলাপের সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।"
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান নোমানের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
বাহুবল থানার ওসি বলেন, "এ ধরনের কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সাংবাদিকতার নামে অপেশাদারিত্ব, ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, নোমান বিভিন্ন পেশার মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছেন। থানা, হাসপাতাল, ভূমি অফিস, উপজেলা অফিসসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে গিয়ে তিনি ধান্দাবাজি ও অশান্তি সৃষ্টি করছেন।
ইউএনও অফিসে চাঁদা দাবি ও হাতাহাতির অভিযোগ:
সর্বশেষ আজ বাহুবল ইউএনও অফিসে বাহুবল থানা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুর রকিবের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে হাবিবুর রহমান নোমানের বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারীদের দাবি, নোমান আব্দুর রকিবের কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা নিউজ করে দেওয়ার হুমকিও দেন। এই চাঁদা দাবির ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ইউএনও অফিসের ভেতরে হাবিবুর রহমান নোমান ও আব্দুর রকিবের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, তার পেছনে "আওয়ামী গুপ্তলীগ" সক্রিয় রয়েছে। যারা বিভিন্নভাবে তাকে সহযোগিতা করে সরকারি অফিসগুলোতে প্রভাব খাটাচ্ছে।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা এই বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন, "সাংবাদিকতার মতো মহান পেশাকে কেউ ব্যবহার করে যদি ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজি করে তাহলে প্রকৃত সাংবাদিকরা এবং সাধারণ মানুষ বিপদে পড়বে। আমরা চাই অবিলম্বে তার কার্যকলাপের সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।"
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান নোমানের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
বাহুবল থানার ওসি বলেন, "এ ধরনের কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সাংবাদিকতার নামে অপেশাদারিত্ব, ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
